দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই মাগুরার পশুর হাটগুলোতে বাড়ছে গবাদি পশুর আমদানি। তবে কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা ও ভারতীয় গরুর প্রভাব না থাকায় হাটজুড়ে বেশি দেখা যাচ্ছে ছোট জাতের দেশি গরু। তুলনামূলক কম দামে পছন্দের দেশি গরু কিনতে পেরে সন্তুষ্ট ক্রেতারা, আর আশানুরূপ দামে বিক্রি করতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করছেন খামারিরা।
বুধবার (২০ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাগুরা সদর উপজেলার কাটাখালী পশুর হাটে গবাদি পশু কেনাবেচা চলতে দেখা যায়। জেলার বিভিন্ন ছোট-বড় খামার থেকে গরু নিয়ে আসেন খামারিরা।
তবে এখনও জমে ওঠেনি কেনাবেচা। ক্রেতার তুলনায় হাটে পশুর সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। অনেক ক্রেতাই হাটে এসে পছন্দের পশু ঘুরে ঘুরে দেখছেন এবং দরদাম করছেন।
মাগুরা জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৬৫ হাজার ৫০৮টি। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ৭৬ হাজার ৯৭৩টি পশু। জেলায় মোট খামারির সংখ্যা ৭ হাজার ৬৬৩ জন। চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত প্রায় ১৪ হাজার পশু দেশের অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হবে।
বিক্রেতা আরজ আলী বলেন, ‘কাটাখালী হাটে এখন ক্রেতার চেয়ে গরুর সংখ্যা বেশি। এখনও ভালো বেচাকেনা শুরু হয়নি। সামনে হাটগুলোতে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছি।’
ক্রেতা হাসান শেখ বলেন, ‘হাটে ঘুরে ঘুরে পশু দেখছি আর দরদাম করছি। পছন্দ হলে কিনে নিয়ে যাব। বড় গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে।’
কাটাখালী পশুর হাটের ইজারাদার রজব মল্লিক বলেন, ‘প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো কাটাখালী পশুর হাট এখন মাগুরার অন্যতম পরিচিত হাট। আমরা হাটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছি, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।’
অ/এমএম